এআই নিয়ে সাম্প্রতিক আতঙ্কের বড় অংশই তৈরি হচ্ছে করপোরেট সতর্কবার্তা, প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন এবং সংবাদমাধ্যমের চাঞ্চল্যকর শিরোনাম ঘিরে। কোথাও বলা হচ্ছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্বয়ংক্রিয় এজেন্টের ‘ঝাঁক’ নজিরবিহীন সাইবার হামলা চালাচ্ছে বা এসব ব্যবস্থা তাদের নির্মাতাদেরই ছাড়িয়ে যাচ্ছে, নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার দিকে এগোচ্ছে। কিন্তু এসব সতর্কতার অন্তর্নিহিত প্রেক্ষাপট আরো গভীরভাবে দেখা প্রয়োজন।

এআইয়ের ঝুঁকি যে বাস্তব। তবে প্রতিটি প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে অস্তিত্বের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করলে প্রকৃত ঝুঁকি ও অতিরঞ্জিত আতঙ্কের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ে। উদ্বেগ হলো এআই নিয়ে এ আতঙ্কের বয়ান কেবল নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনাই তৈরি করছে না; এর সঙ্গে শিল্পের স্বার্থ, নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন এবং নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তারের বিষয়ও জড়িয়ে আছে। বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো নিজেদের তৈরি প্রযুক্তির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার পাশাপাশি এমন এক নীতিগত পরিবেশও তৈরি করতে পারে, যেখানে বাজারে প্রবেশের বাধা বাড়ে এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের প্রভাব আরো শক্তিশালী হয়।

তাই এআই নিয়ে আলোচনায় আতঙ্ক নয়, প্রমাণ, স্বচ্ছতা ও বাস্তব ঝুঁকির মূল্যায়নকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।

[ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে লেখা একটি নিবন্ধে]

গ্যাব্রিয়েলে মাজ্জিনি: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইইউ এআই অ্যাক্টের পেছনের অন্যতম কারিগর। এমআইটি মিডিয়া ল্যাবের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট