অবিলম্বে সীমিত পরিমাণে ভাঙা চাল রফতানি অব্যাহত রাখার অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার। সম্প্রতি এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল কমোডিটি ইনসাইটের কাছে এ অনুমোদনের তথ্য জানিয়েছে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ।
খেত থেকে ধান কাটার পর মাড়াই, চাল ছাঁটাইসহ বিভিন্ন ধাপ শেষে যে উচ্ছিষ্টাংশ থাকে সেটিই ভাঙা চাল নামে পরিচিত। উৎপাদনকারী ছাড়াও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন দেশে এ চালের চাহিদা রয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরে ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত সরকার। তবে গাম্বিয়া ও সেনেগাল বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে চাল সরবরাহের আবেদন করায় ভারত সরকার সাময়িক সময়ের জন্য ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে। দেশগুলোয় এ চালের ব্যবহার অধিক। বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, রফতানি অনুমতির পরিপ্রেক্ষিতে গাম্বিয়া এক লাখ টন ও সেনেগাল ২ লাখ ৫০ হাজার টন পর্যন্ত চাল পাবে।
সেনেগালে যে ২ লাখ ৫০ হাজার টন চাল রফতানি করা হবে, তার মধ্যে ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টন সরবরাহের দায়িত্ব পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো সরলা ফুডস প্রাইভেট লিমিটেড, শ্রি চিত্রা এক্সপোর্টস, মানাসা কোয়ালিটি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, পাত্তাভি অ্যাগ্রো ফু্ডস প্রাইভেট লিমিটেড ও সিএলআরকে ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড। প্রতিটি কোম্পানি ২২ হাজার ৫০০ টন চাল রফতানির সুযোগ পাবে বলে সূত্রে জানা গেছে।
গাম্বিয়ায় চাল রফতানির জন্যও মন্ত্রণালয় থেকে কোম্পানি ভাগ করে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরলা ফুডস প্রাইভেট ১২ হাজার ৫০০ টন, রয়্যাল মিরেজ কনসালট্যান্টস পাঁচ হাজার টন ও লক্ষ্মী গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট দুই হাজার টন চাল রফতানি করতে পারবে। এছাড়া ইথিওপিয়ার জন্য জিবুতি বন্দর থেকে আরো ৯ হাজার ৯০০ টন ভাঙা চাল রফতানির অনুমোদনও দেয়া হয়েছে। রুবি ওভারসিজ চালানটি সম্পন্ন করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বিশ্বের রফতানীকৃত মোট চালের ৪০ শতাংশই সরবরাহ করে ভারত। এর আগে দেশটির রফতানিতে সাদা ভাঙা চালের শতভাগ বিক্রি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এটিই ভারতের বাইরে প্রথম চালান হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের চাল রফতানিতে ২০ শতাংশ করারোপের একদিন পর নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।











