২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কলারশিপের জন্য আবেদন গ্রহণ চলছে। এ স্কলারশিপের আওতায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা ভারতের নামকরা সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন। আবেদন চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত।

ভারতে উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় একটি স্কলারশিপ হচ্ছে আইসিসিআর স্কলারশিপ। প্রতি বছর আইসিসিআরের আওতায় মোট ২০০ জন স্কলারকে নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে ১০০টি ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের জন্য আর ১০০টি নন-ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের জন্য। যেমন স্নাতক ১৪০টি, স্নাতকোত্তর ৪০ এবং এমফিল ও পিএইচডির জন্য ২০টি।

২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ‘সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন’ অনুষ্ঠানে এসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘সুবর্ণজয়ন্তী স্কলারশিপ’ নামের একটি স্কিমের ঘোষণা দেন। এছাড়া ‘লতা মঙ্গেশকর ড্যান্স অ্যান্ড মিউজিক স্কলারশিপ’ নামেও একটি স্কিম আছে আইসিসিআরের অধীন। এ স্কিমের আওতায় আরো ৫০০ আসন বৃদ্ধি করা হয়।

সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ টিউশন ফি ফ্রি; আবেদন করার জন্য কোনো ফি লাগবে না; হোস্টেল এবং খাওয়ার খরচ; প্রতি মাসে উপবৃত্তি হিসেবে স্নাতকে ১৮ হাজার রুপি, স্নাতকোত্তরে ২০ হাজার রুপি ও পিএইচডির জন্য ২২ হাজার রুপি প্রদান করবে; যাওয়া-আসার বিমান ভাড়া প্রদান করবে। এছাড়া চিকিৎসাসহ অন্য সুবিধা পাওয়া যাবে।

মেডিসিন, প্যারামেডিকেল, ফ্যাশন, আইন ইত্যাদি-সংক্রান্ত কোর্স বাদে ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা যাবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নের জন্য আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং পিএইচডির জন্য সর্বনিম্ন বয়সসীমা ৪৫। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ইংরেজির দক্ষতা প্রমাণের জন্য ৫০০ শব্দে একটি প্রবন্ধ লিখতে হবে। টোয়েফল, আইইএলটিএসের স্কোরও জমা দিতে পারেন। যদিও তা বাধ্যতামূলক নয়। আবেদনের শেষ তারিখ আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত।