কয়েক মাসের মধ্যে দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা। তিনি বলেন, ‘আইসিটি মন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কয়েক মাসের মধ্যেই দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ এআই নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
গতকাল রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে হুয়াওয়ের অংশীদারত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনে ডিজিটাল সংযোগ, প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং অর্থনীতিতে এআইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বাংলাদেশ ফাস্ট রূপকল্পের আওতায় সরকার সমৃদ্ধ, বিনিয়োগনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ লক্ষ্য অর্জনে নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও এআইয়ের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’
সম্মেলনে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও সংযোগ, শিক্ষায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং এআইয়ের বৈশ্বিক প্রবণতা ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে পৃথক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা তিনটি সঞ্চালনা করেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ-উল-বারী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী এবং জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান। প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং প্রযুক্তি শিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মুহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তার এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এর কার্যকর ব্যবহারের মধ্যে ব্যবধান কমানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ।’










