সরকারের দেয়া বিনা প্রশ্নে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিয়েছিলেন এক ব্যবসায়ী। নিয়মিত করও দেন এ ব্যবসায়ী, তার পরও রক্ষা পাননি। কালো টাকা সাদা করে ফাঁসলেন তিনি। তার ১৩৬ কোটি টাকার ‘অবৈধ’ সম্পদ পায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাকা তিনি বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগও করেছিলেন। ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে তার সেই বিনিয়োগ পাওয়া গেছে। কিন্তু আয়ের উৎস নিশ্চিতে তিনি সন্তোষজনক রেকর্ডপত্র দুদকে দাখিল করতে পারেননি। এ অভিযোগে ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর এমজিএইচ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে দুদক। সেই মামলার তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের মার্চে আদালতে অভিযোগপত্রও (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।
গত সোমবার সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন আনিস আহমেদ! ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।
এ প্রসঙ্গে দুদকের লিগ্যাল অ্যান্ড প্রসিকিউশন উইংয়ের সাবেক মহাপরিচালক মঈদুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, 'ফ্যাক্টস অনুযায়ী মামলা দায়ের ঠিক ছিল।’
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটির প্রত্যাহার চেয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর আবেদন করে দুদক। সোমবার এ বিষয়ে আদালতে শুনানি হয়। ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ দুদকের করা মামলা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন।
এ প্রসঙ্গে এমজিএইচ গ্রুপের লাইনার শিপিং বিজনেসের সিইও সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল বলেন, ‘সকল আইনি প্রক্রিয়া মেনেই দুদক আদালতে আবেদন করেছিল। মহামান্য আদালত মামলা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন।’










