গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ দুঃশাসন চালিয়ে সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বুধবার (১৮ জুন) দুপুরে রাজধানীর তুরাগের রানাভোলায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য ফরম নবায়ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একদিন কারাগারে দেখলাম বৃদ্ধ বয়সে কয়েদির পোশাক পরে ঝাড়ু দিচ্ছে বোরহান নামে এক বিএনপি কর্মী। তাকে দেখে আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ যা বলত, তাই আইনে পরিণত হত। উত্তরায় আমার বাসায় ডিশের লাইনের সংযোগ দিত তুষার নামে এক ব্যবসায়ী। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তার ডিশের ব্যবসা কেড়ে নিয়েছে। বর্তমানে বিএনপির কর্মীরা এমন করলে আমরাও তো তাদের মতো হয়ে যাব। তাদের মতো অন্যের ব্যবসা কেড়ে নেয়া যাবে না। এ বিষয়ে আমরা সব সময় সতর্ক আছি।
বিএনপির এ সিনিয়র নেতা বলেন, লন্ডনে ড. ইউনূস এবং তারেক রহমানের বৈঠকের কারণে জাতীয় নির্বাচন এপ্রিলের পরিবর্তে ফেব্রুয়ারিতে হতে পারে। এ বৈঠকের কারণে একটি দল মনোক্ষুণ্ণ হয়েছে, তারা নারাজ। তারা জানে নির্বাচন হলে কোন দল সরকার গঠন করবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা জনগণের জন্য কাজ করি। দেশের জন্য কাজ করি। আমাদের দল ক্ষমতায় আসলে প্রথমে বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে। এক কোটি বেকার মানুষের চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। তরুণ যুবকদের প্রাধান্য দিয়ে সরকার চালানো হবে।
বিএনপিতে কোনো চাঁদাবাজের ঠাঁই হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে যারা চাঁদাবাজি করছে তারা প্রফেশনাল চাঁদাবাজ। তারা যেভাবেই হোক সরকারি দলে ভিড়তে চেষ্টা করে।
অনুষ্ঠানে তুরাগ থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ খোকনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমিনুল হক, সদস্য সচিব মো. মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এম কফিল উদ্দিন, আফাজ উদ্দিন, এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক, উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির আব্দুস সালাম, মোস্তফা সরকার, আলমগীর হোসেন শিশির, তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম, আলমাছ আলী, চান মিয়া বেপারী প্রমুখ।















