চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পরিবেশগত ছাড়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও জাহাজ কাটার দায়ে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজ কর্তৃপক্ষকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আজ বুধবার পরিবেশ অধিদপ্তরের এক শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।
একই সঙ্গে পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ইয়ার্ডে জাহাজ কাটার কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানের দু’জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শ্রীরূপ মজুমদার বণিক বার্তাকে বলেন, ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের পরিবেশগত ছাড়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও জাহাজ কাটার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর বিভিন্ন ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিবেশগত ছাড়পত্রের মেয়াদ শেষ হয় ১২ আগস্ট। এরপরও ইয়ার্ডে ‘এমটি রাসি’ নামের একটি পুরনো জাহাজ কাটার কাজ চলছিল।
তিনি আরো বলেন, প্রতিবছর প্রতিষ্ঠানের পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়নের নিয়ম থাকলেও ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজ তা করেনি। ছাড়পত্র নবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ‘এমটি রাসি’র কাটিং বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে জরিমানার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী মামলা করা হবে।
জরিমানা ও জাহাজ কাটার কার্যক্রম বন্ধ রাখার আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ আছে জানিয়ে শ্রীরূপ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ধারা ১৪ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিধি ২৭ অনুযায়ী চেয়ারম্যান, আপিল কর্তৃপক্ষ ও সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বরাবর আপিল করা যাবে। এ ক্ষেত্রে আরোপিত ক্ষতিপূরণের ২৫ শতাংশ ট্রেজারি চালান বা এ-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে।










