বড়দিনের ছুটিতে কক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকের ভিড় বেড়েছে। একদিনেই লক্ষাধিক পর্যটক কক্সবাজারে এসেছে বলে ধারণা পর্যটন ব্যবসায়ীদের। এছাড়া সামনে ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে পর্যটকের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশা তাদের। এরই মধ্যে প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ রুম বুকিং হয়ে গেছে। অবশিষ্ট রুম কয়েক দিনের মধ্যে বুকিং হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন হোটেল মোটেল মালিকরা।

ভারতীয় পর্যটক রাহুল পাটেল বলেন, ‘কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত বিশাল ও চমৎকার। এখানে অধিকাংশ পর্যটক বাংলাদেশের। বিদেশী পর্যটক বাড়াতে নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার।’

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ছাড়াও ইনানী পাথুরে বিচ, হিমছড়ি, দরিয়া নগর, পাটুয়ার টেক, সেন্ট মার্টিন, সোনাদিয়া, আদিনাথ মন্দির, রামু বৌদ্ধ বিহারসহ দর্শনীয় স্থানগুলোয় এখন পর্যটকের ভিড়।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (টুয়াক) সভাপতি তোফায়েল আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল কবির পাশা বলেন, ‘সেন্ট মার্টিন ও কক্সবাজার শহরে পর্যটকের সংখ্যা বেশি। মৌসুমজুড়ে পর্যটকের আনাগোনা থাকবে। তাদের ভ্রমণ আনন্দময় করতে টুয়াকের সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন।’

কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ আবুল কাশেম সিকদার ও সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ বলেন, ‘অক্টোবর থেকে হরতাল ও অবরোধের কারণে পর্যটন ব্যবসায় ধস নেমেছিল। এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক। বড়দিন ও নববর্ষ ঘিরে আশানুরূপ ব্যবসা হবে।’

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আপেল মাহমুদ বলেন, ‘পর্যটকের নিরাপদ ভ্রমণের দায়িত্ব সবার। তাদের নিরাপত্তায় কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।’