চট্টগ্রামের দুই আসনের ফলাফল আদালতের নির্দেশে স্থগিত থাকলেও বাকি ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, এ ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি আসন, আর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি। গতকাল বেলা ৩টার দিকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

ইসি সচিব বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের সংসদীয় ফল প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে ওই আসনগুলোতে গণভোটের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় গণভোটের ফল শতকরা হিসাবে যুক্ত হয়েছে। এ কারণেই সংসদ নির্বাচনে ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ হলেও গণভোটে তা ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ হয়েছে।’

ইসি সচিব জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি। বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। তিনি বলেন, ‘সংশোধন ও পরিবর্তনের পক্ষে জনগণ স্পষ্ট মত দিয়েছে।’

দলভিত্তিক আসন চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি, খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, গণঅধিকার পরিষদ ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে জয়লাভ করেছেন।

ইসি সচিব বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে হার্ডকপি চূড়ান্ত ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে না। বার্তাশিটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা শেষে একসঙ্গে ডিজিটাল আদেশে গেজেট প্রকাশ করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তড়িঘড়ি করে কিছু বলা আমাদের দায়িত্বশীলতার মধ্যে পড়ে না। চূড়ান্ত শিট হাতে পেলেই গেজেট জারি হবে। ১ ঘণ্টায় এলে ১ ঘণ্টায়, ২ ঘণ্টায় এলে ২ ঘণ্টায়।’