নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক। কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যয় আজ নির্ধারণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে দেশটির অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে উইটনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত অভিবাসন সংলাপ শেষে আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

নভেম্বরের শুরুতে মালয়েশিয়ার মেডিকেল পরীক্ষা শুরু হলে দুই থেকে চারদিনের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করে কর্মীরা দেশটিতে যেতে পারবেন জানিয়ে নুরুল হক বলেন, ১ নভেম্বর অথবা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ফ্লাইট চালু হতে পারে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে দুদেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে। কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কিছু আনুষ্ঠানিকতা এখনো বাকি রয়েছে। মালয়েশিয়া অনুমোদিত ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সির পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানির চাহিদাপত্র জমা পড়েছে। তবে বাংলাদেশ দূতাবাসের সত্যায়ন ছাড়া এসব চাহিদাপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।

মেডিকেল পরীক্ষা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে মালয়েশিয়া এ তালিকা চূড়ান্ত করবে বলে জানানো হয়েছে। এরপর নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোয় কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হবে। অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল পরীক্ষা করাতে গিয়ে কেউ যাতে বিভ্রান্তি বা প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য আগাম সতর্কতা দেয়া হয়েছে।

বোয়েসেলের মাধ্যমে ১০ হাজার কর্মীকে বিনামূল্যে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর উদ্যোগ প্রসঙ্গে নুরুল হক বলেন, বিদেশ যেতে বিমানের টিকিট, মেডিকেল পরীক্ষা ও সার্ভিস চার্জসহ কিছু মৌলিক খরচ থাকতে পারে। এ কারণে একেবারে বিনা মূল্যে না বলে ন্যূনতম খরচে কর্মী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর সম্ভাব্য ব্যয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতি আনুমানিক ১ লাখ ৫৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। বেসরকারি ব্যবস্থায় কর্মী পাঠানোর ব্যয়ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।