পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আজ
রোববার (৮ জানুয়ারি) সকালে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই-গেট উদ্বোধন করেছেন।
তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট প্রবর্তন
করেছে। ইমিগ্রেশন সেবা প্রত্যাশী সকল বাংলাদেশী নাগরিক এর সুফল ভোগ করবেন।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে উল্লিখিত বিমানবন্দরের
নিরাপত্তা ও যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধি পাবে জানিয়ে ড. মোমেন বলেন, ‘ওসমানী আর্ন্তজাতিক
বিমানবন্দরে স্থাপিত ই-গেট ব্যবহারের মাধ্যমে সিলেট বিভাগের সম্মানিত যাত্রীগণ উপকৃত
হবেন।’
বিশ্বে ১১৯তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ
হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন করেছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘ই-পাসপোর্ট একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন
এবং অধিকতর নিরাপদ ভ্রমণ দলিল, যা ই-গেটের সহায়তায় দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশের নাগরিকগণের
ইমিগ্রেশন আরো সহজ ও নিরাপদ করবে।’
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান, কারিগরি
ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের যে ভিত্তি তৈরি করে গেছেন’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,
‘সে পথ ধরেই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ
বিনির্মাণ করে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এক যুগের বেশি পথচলায় প্রমাণিত
হয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনার এক উন্নয়ন দর্শন। এখন লক্ষ্য ২০৪১
সালে স্মার্ট বাংলাদেশ।’
আরো বলেন, আমি মনে করি ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট
অধিদপ্তর, ‘ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন’ শীর্ষক
প্রকল্প ও পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্যদের পরিশ্রম, একাগ্রতা ও আন্তরিকতার ফলেই
এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলশ্রুতিতে ইমিগ্রেশন সেবা প্রত্যাশী সকল বাংলাদেশী নাগরিক
এর সুফল ভোগ করবে।
এর আগে ২০২২ সালের ৭ জুন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমান বন্দরে এবং ১৫ নভেম্বর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ই-গেট উদ্বোধন করা
হয়। বাংলাদেশি ই-পাসপোর্ট ব্যবহারকারীরা বর্তমানে দুই বিমানবন্দরে ই-গেট ব্যবহার করছেন।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের সচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল নুরুল আনোয়ার, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমানসহ সিলেটের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।














