মোর দেশে এক জাতি জনকত আছে তাঁতী
বুনিতে অনেকদিন লাগে
কেবল ধীরে কাম বস্ত্র বড় অনুপাম
প্রাণ শক্তি টানিলে না ভাঙে।১
কার্পাসজাত সূক্ষ্ম মহার্ঘ্য সুতিবস্ত্র বঙ্গের অতীত গৌরবের শিল্পসামগ্রী। এ বিলাস বস্ত্রের ইজ্জত আলাদা যা সম্ভ্রম, রুচি ও আভিজাত্যের দ্যোতক। কৌটিল্য ‘কার্পাসিক’ নামে এক ধরনের বস্ত্রের কথাও উল্লেখ করেছেন; অনেকে মনে করেন, এই হলো মসলিনের আদিরূপ।
খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডেটাস (৪৮৪-৪২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ভারতবর্ষের বস্ত্র সম্পর্কে লিখেছেন, ‘They possess likewise a kind of plant, which, instead of fruit, produces wool, of a finer and better quality than that of sheep: of this the Indians make their clothes.’
খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে লেখা ‘Periplus of the Erythraean Sea’ নামক একটি নাবিক-বিবরণীতে রোম নগরে রফতানির জন্য বাংলার বিখ্যাত রেশম বস্ত্রের প্রসঙ্গ উল্লিখিত হয়েছে। ১ক
বিদেশী পর্যটক ও ভ্রাম্যমাণ বণিকদের বিবরণী থেকে তেরো ও চৌদ্দ শতকে প্রচলিত আরো কতক বস্ত্রের নাম পাওয়া যায়। যেমন বৈরাম, নামোনি, লীজাতি, কেইনটার, ভাউজার, সিনাবাফ ইত্যাদি।
১৪৯৮ সালে পর্তুগিজ ভাস্কো দা গামার ভারতে পদার্পণ। পরবর্তী সময়ে ১৫০৫ সাল থেকে পর্তুগিজ কোম্পানি ক্যারেইরা দা ইন্ডিয়ার মাধ্যমে ইউরোপীয়দের বাণিজ্য শুরুর সময় হিসেবে গণ্য করা যায়। এরপর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৬০০, ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, দিনেমারদের বাণিজ্য শুরু হয়।
ইতালীয় পর্যটক ভারথেমা ১৫০৮ খ্রিস্টাব্দে Benghalla নামক এক বন্দরে বাংলাদেশে উৎপন্ন তুলা ও রেশমবস্ত্র বিপুল পরিমাণে বিদেশে রফতানি হতে দেখেছেন। বৈরাম, নামোন, লীজাতি, সিনাবাফ ইত্যাদি বিচিত্র নামের বস্ত্রসম্ভারের উল্লেখ ভারথেমা করেছেন।
কৃত্তিবাস ওঝা তার আত্মপরিচয়ে ‘খাসাজোড়া’ বলতে উৎকৃষ্ট মলমল জাতীয় বস্ত্রের কথাই বুঝিয়েছেন। সতেরো-আঠারো শতকের সন্ধিক্ষণ থেকেই কিছু বিদেশী বস্ত্রনাম বাংলা সাহিত্য-গ্রন্থগুলোয় আমরা ব্যবহার হতে দেখি। যেমন সাটিন,ৱর্যালি, পাইনঅ্যাপল ইত্যাদি।

সতেরো-আঠারো শতক থেকে ইউরোপীয় বস্ত্র ব্যবসায়ীরা দ্বিবিধ পদ্ধতিতে তাদের বাণিজ্য প্রসারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং বহুলাংশে সফল হয়েছিলেন। প্রথমত, এ দেশ থেকে উৎকৃষ্ট বস্ত্র পাইকারিভাবে খরিদ করে তাতে নিজেদের ভাষায় নামের চাপ দিয়ে বিক্রি করা: দ্বিতীয়ত, দাদন দিয়ে এ দেশী তাঁতিদের দিয়ে নিজেদের অভিরুচিমতো কাপড় বানিয়ে নেয়া এবং সেই কাপড় নিজেদের পছন্দের নাম চিহ্নিত করা। ১খ
‘কেহবা আদরে কিনে ঢাকার সে ফিনফিনে অতি সরু চিকন বসন॥’"
ঢাকা অঞ্চলের সূক্ষ্ম বস্ত্রের সুখ্যাতি খ্রিস্ট জন্মের শদুয়েক বছর আগে থেকে আঠারো শতক পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যে ভবানন্দ মজুমদারের এক পত্নীর সাজসজ্জার বর্ণনায় উল্লেখিত আছে—
খোঁপা বান্ধি তাড়াতাড়ি পরিল চিকন শাড়ি
পীড়ীয়া কাজল দিল চোখে।।
আবার—
টেনেটুনে বাঁধ ছাঁদ খোঁপাখানি গো।
শাড়ি পর চিকন শ্রীরামখানি গো।।
এবার দেখে নেয়া যাক এ দেশে পরিচিত বা প্রচলিত নানা বস্ত্রের নাম কেমন ছিল। বাংলা সাহিত্যভাণ্ডার থেকে আহৃত আদি ও মধ্য কালের কিছু বস্ত্রের নামের দিকে চোখ ফেরানো যাক—অরুণাংশুক, অগ্নিপাট, অগ্নিফুল, অংশুক, অঙ্গিকা, আসমানতারা, আনন্দই, আঁচলা, আয়নাফোঁটা, উদয়তারা, একাংশুক, কামরাঙা, কার্পাসিকা, কুতপ, কাঞ্চলিকা, কুরপাসক, কনকলতা, কৃষকেলি, কুনারি, কলমিলতা, খইয়া, খোসপট্ট, গঙ্গাসাগর, গঙ্গাজলী, গাঙ্গেয়ী, গুধড়ি, চেলী, চিত্রকুসুম, চোল, চতুরশ্রবণ, চিকন বনাত, জরকুশি, ঝামপাখানি, দুবরা, ধকরা, ধনুশ্রী, নীলাংশুক, পটাম্বর, পত্রোনা, বাঙ্গক, ভুনি, মেঘডুম্বুর, মেঘমালা, নীলাম্বর, রাল্কব, লক্ষ্মীবিলাস, শঙ্খপাট, সেহালি, সাফারিয়া, হীরামন, হংসলক্ষ্মী, ক্ষীরোদক ইত্যাদি। এসব বস্ত্রনাম উৎকীর্ণ আছে নানা কালের লোকায়ত সাহিত্যসম্ভারে।
শ্বেত বস্ত্র পরিধান স্বর্ণ অভরণ।
যিনি শ্বেত সরসিজ সুহাস্য বদন॥
বাংলার ইতিহাসে মসলিন বস্ত্র এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জুড়ে আছে। প্রাচীন বাংলা হতে অর্থনৈতিক সামাজিক ইতিহাসে মসলিন কিংবদন্তিসম। মসলিন বাংলার তৎকালীন সমাজের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রেখেছিল। কেবল এর কারিগরি সৌকর্যই নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি, উপনিবেশ, যুদ্ধবিগ্রহ নানাভাবে আমাদের ইতিহাসের স্মারক মসলিন। এই মসলিন নামকরণ নিয়ে নানা ধারণা প্রচলিত। তবে সবাই একমত যে শব্দটি বঙ্গজাত নয়! যুগে যুগে শতাব্দীর পর শতাব্দী বাংলার বস্ত্র উৎপাদক কারিগর, ব্যবসায়ী নিজেরা বঙ্গজাত কোনো নামকরণ করেনি সে বক্তব্য বা যুক্তি কিন্তু ধোপে টেকে না। ওপরে উল্লিখিত অনেক বস্ত্রনাম দেশজ। তবে কি তখনকার প্রচলিত দেশজ নামের স্থলে আন্তর্জাতিক ব্যবসার কালে, বিশেষত ইউরোপীয় বণিকদের দেয়া বাংলাজাত বিশেষ সূক্ষ্ম সুতি বস্ত্রের ব্র্যান্ড নেম হয়ে যায় মসলিন? ব্র্যান্ড নেমের প্রসিদ্ধির তোড়ে অন্যসব বিভিন্ন স্থানীয় বিচিত্র বস্ত্রপণ্য একদিকে ঢাকা পড়ে যায়, আবার অন্যদিকে আরো বহু নাম ব্র্যান্ড নেমের স্বার্থেই তৈরি হয়, স্থলাভিষিক্তও হয়। বলা বাহুল্য, সেসব বস্ত্রনামের সংখ্যা কেবল বাংলাতেই প্রায় হাজারের কাছাকাছি (এই লেখকের ‘বাংলাজাত বস্ত্র নাম’ সংগ্রহ)। মসলিন নাম বিষয়ে কী কী অনুঘটক ছিল তার প্রাথমিক অনুসন্ধানের বর্ণনা এখানে লিপিবদ্ধ করার প্রয়াস নেয়া হলো।
বাংলার মসলিন বোগদাদ রোম চীন
কাঞ্চন তৌলেই কিনতেন একদিন।২
‘মসলিন শব্দের মূল নির্ণয় করা কঠিন। মসলিন ফারসি শব্দ নয়, সংস্কৃত বা বাংলা তো নয়ই। হেনরি ইউল এবং এ.সি. বার্নেল মনে করেন যে মসলিন শব্দ মসুল নাম থেকে উদ্ভূত। মসুল বর্তমান ইরাকের অন্তর্গত বিখ্যাত ব্যবসা কেন্দ্র। যেহেতু মসুল এলাকায় পুরাকালে উৎকৃষ্ট ধরনের বস্ত্র তৈরি হতো, হয়তো ইউরোপীয়রা সূক্ষ্ম সুতি বস্ত্রকে সাধারণভাবে মসুলি বা মসুলিন বা মসলিন নাম অভিহিত করত। পরে ঢাকার সূক্ষ্ম বস্ত্রের সন্ধান পেলে তারা তাকেও মসলিন নাম দেয়। এছাড়া মসুলকে মসলিন শব্দের মূল মনে করার আর কোনো যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা দেয়া যায় না। মসলিন নাম যে ইউরোপীয়দের দেয়া তা মনে করার আরো কারণ আছে। প্রথম. শুধু ঢাকার সূক্ষ্ম বস্ত্রকেই মসলিন বলা হতো না, যেকোনো সূক্ষ্ম বস্ত্রকেই, যেমন গুজরাট, গোলকুণ্ডা ইত্যাদি স্থানে প্রস্তুত সূক্ষ্ম বস্ত্রকেও মসলিন নাম অভিহিত করা হতো। দ্বিতীয়ত, মসলিন নাম দেশজ নয়। প্রাক মুসলমান আমলে ঢাকার সূক্ষ্ম বস্ত্রের নাম কী ছিল বলা যায় না।’৩
আরেকটি সূত্র দাবি করেছে, ‘মসৌল থেকে এসেছে মসলিন নাম। মসলিন ব্যবসায়ীদের বলা হতো মোসোলিন। আরব দেশে মসলিন কাপড়কে বলা হতো মৌসিলি।’ এই সূত্রের মতে, ‘অতীতে কোনো এক পর্বে ভারতীয় মসলিনের নাম ছিল মোনাখি এবং মোটা জাতীয় মসলিনের নাম ছিল খুদাইন।’৪
‘নবম শতকে, সোলায়মান নামক একজন আরব ভূগোলবিদ একটি বই লিখেছিলেন যার নাম সিলসিলাত উত তওয়ারিখ। সে বইয়ে রুমী নামে এক দেশের উল্লেখ আছে। ঐতিহাসিকরা মনে করেন, রুমী হচ্ছে বাংলাদেশ। সোলায়মান লিখেছেন, রুমীতে এত সূক্ষ্ম কাপড় তৈরি হতো যে ৪০ হাত লম্বা ও দুই হাত চওড়া এক টুকরো কাপড় একটি আংটির মধ্য দিয়ে নেয়া যেত।’৫
সোলায়মানের সিলসিলাত উত তওয়ারিখ মোতাবেক এ কথা বলাই যায় যে নবম শতকের সূক্ষ্ম বস্ত্রই বাংলার মসলিনের পূর্বসূরি।
‘ড. দীনেশচন্দ্র সেন বিষয়টিকে অন্যভাবে উত্থাপন করেন। সপ্তদশ শতাব্দীতে হার্মাদ বা পর্তুগিজ জলদস্যুদের অত্যাচারে বঙ্গোপসাগর দিয়ে বিদেশে এখানকার বস্ত্র চালানের অসুবিধার দরুন তুরস্কের তদানীন্তন রাজধানী মোসলে নগরের তন্তুবায় সম্প্রদায় এখানকার বস্ত্রের অনুকরণে যে মিহি কাপড় তৈরি করে সে নগরের নাম অনুসারে তার নাম দেয়া হয়।’৬
কারো কারো মতে, ‘ব্রিটিশ ব্যবসায়ীরা দক্ষিণ ভারতের মসলিপট্টম বন্দরের মাধ্যমে এ বস্ত্র রফতানি করত বলে বস্ত্রের নাম মসলিন হয়েছে।’ এর বিপরীত মত যেমন, ‘তবে কথাটা ঠিক নয়, কারণ ব্রিটিশরা এ দেশে আসার অনেক আগে থেকেই মসলিনের এ নামকরণ প্রচলিত ছিল।’ এসব বক্তব্যের প্রমাণস্বরূপ কোনো তথ্য, উদ্ধৃতি তাদের দিক থেকে থাকলে ভালো হতো। কেননা যে জনপদে এত আগে থেকেই মসলিন নামকরণ প্রচলিত ছিল তার কোনো না কোনো হদিস বা তথ্য-উপাত্ত থাকার কথা নয়কি? বিশেষত ইউরোপীয় বাণিজ্য শুরুর আগে বাংলার সূক্ষ্ম বস্ত্রের নাম ‘মসলিন’ ছিল তা প্রমাণের জন্য সুস্পষ্ট তথ্য দরকার।
উৎপাদিত বস্ত্রনাম হিসেবে অনেক বিদেশী শব্দের মতো মসলিন শব্দটি বাংলায় ব্যবহৃত হলেও এ অঞ্চলের প্রাচীন বা মধ্যকালের সাহিত্যকর্মে তার কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না! বস্ত্রের নাম "মসলিন" হলো কতদিন আগে এবং কীভাবে তা ওপরের আলোচনায় প্রতিভাত? সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উপনিবেশপূর্ব কালে "মসলিন" শব্দটির উল্লেখ নেই কিন্তু মঙ্গলকাব্যে মিহি, কোমল, চিকন বা সূক্ষ্ম বস্ত্র তথা ঢাকাই সুতি ও চিকন শাড়ির উল্লেখ পাওয়া যায়।
তাহলে বাংলার সাহিত্যিক ঐতিহ্যে মসলিনের অনুপস্থিতির রহস্য কী? এ রচনায় আমরা মসলিনের ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের উল্লেখপূর্বক মসলিন বস্ত্রনাম অনুল্লেখ রহস্য নিয়ে আলোচনা অনুসন্ধান করব। হতে পারে একটি বিশেষ ধরনের কারিগরি মুন্সিয়ানায় তৈরি এ মহার্ঘ্য বস্ত্র সাধারণের নাগালে ছিল না বলে তা নিয়ে গাথা কাব্য রচিত হয়নি! শতাব্দীর পর শতাব্দী দুনিয়াখ্যাত এমন একটি বস্ত্র মসলিন নিয়ে বাংলায় অনেক কাব্য, লোকগাথা থাকার কথা নয়কি? একেবারেই নেই—তাই- বা বলি কী করে। তবে আছে ভিন্ন নামকরণে—
স্বচ্ছ ঢাকাই মসলিন
যার উপমা তাঁতে বোনা বাতাস,
ছুটন্ত ঝর্ণা, সন্ধ্যার শিশির।
সেই শিল্প এখন মৃত, মারা গেছে
কয়েকশ বছর আগে। “কেউ আর জানে না”,
আমার নানী বলতেন,
“আহা! পরতে যে কেমন,
হাত দিয়ে ছুঁতেই বা কেমন’।”৭
চণ্ডীমঙ্গলের উল্লেখ
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে বণিকদের ব্যবসার বিবরণ দেয়া হয়েছে, যেখানে বাংলার উৎপাদিত মূল্যবান পণ্যগুলোর মধ্যে সূক্ষ্ম বস্ত্র অন্যতম। ধনিক ও রাজপরিবারের সদস্যরা এ কাপড় পরিধান করতেন এবং এটি বিদেশেও রফতানি করা হতো। এ বস্ত্র নদী-তীরবর্তী অঞ্চলে প্রস্তুত হতো এবং এর সূক্ষ্মতা ও সৌন্দর্য এতটাই অনন্য ছিল যে বাতাসে উড়তে থাকলে তা প্রায় অদৃশ্য মনে হতো। চণ্ডীমঙ্গলে উল্লেখ পাওয়া যায়, ধনী বণিক ধনপতি সওদাগর ব্যবসার জন্য সুদূর দেশে যেতেন এবং তার রফতানি পণ্যের মধ্যে বস্ত্র অন্যতম ছিল, যা তখনকার সময় বাংলার অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল, যা বিদেশী বাজারে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হতো। (চলবে)
উদ্ধৃতাংশ সূত্র
১. মনসা মঙ্গল, বিজয়গুপ্ত।
১ক. ১খ. বাঙালির বেশবাস বিবর্তনের রূপরেখা, মলয় রায়, পৃষ্ঠা ২০-২১, ৮৭ ও ১১১। Edward Baines, History of cotton Manufacturer in Great Britain, London, 1835, p. 17-18. (Original Source: Herodotus, book iii. c. 106)
২. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, চরকার গান।
৩. ঢাকাই মসলিন, ড. আব্দুল করিম, পৃষ্ঠা ১৫, সাহিত্যিকা, ২০১১, ঢাকা।
৪. আবরণ প্রসঙ্গে, কনককান্তি বসু, সমকালীন।
৫. ঢাকার মসলিন, মুনতাসির মামুন, আগামী প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ১০, ঢাকা।
৬. আমাদের প্রাচীন শিল্প, তোফায়েল আহমদ, পৃষ্ঠা ৪২।
৭. The Dacca Gauzes, Agha Shahid Ali, অনুবাদ জাভেদ ইকবাল।










